Hello Testing Bangla Kobita

প্রতি মাসে দ্বিতীয় রবিবার

Advertisement

2nd Year | 4th Issue

বুধবার, ১৯শে আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | Wednesday, 6th October, 2021

শারদ অর্ঘ্য ১৪২৮ ।  গল্প

ধ্রু ব   মু খো পা ধ্যা য়

চাঁদ

pic4

পরিবারটা আমাদের কোনোদিনই সেভাবে খুব একটা উচ্চ শিক্ষিত ছিল না। তবে বরাবরই উচ্চাকাঙ্ক্ষী। যার যেটা ভালো লাগে সে সেটাই করুক, এইটাই সকলে চেয়ে এসেছি। আসলে কোনো কিছু করতে না পারলেও, না খেতে পেয়ে মরার ভয়টা আমাদের কোনোকালেই নেই। স্যাকরার ব্যবসাটা ঠিক কবেকার জানিনা, তবে দোকানের লকারে বহু ব্রিটিশ আমলের গয়না, গিনি দেখে দিব্বি বোঝা যায়, বেশ পুরনো! আমরা দুই ভাই। বড়দার বরাবরই পড়াশুনোয় ঝোঁক ছিল। বলত, সায়ন্টিস্ট হবে। কিন্তু স্যাকরা বাড়ির ছেলেপুলেদের বড় বড় অঙ্কের টাকার হিসাব আর ছোট ছোট বাটখারার হিসাবের বাইরে না বেরনোটা এক প্রকার নিয়ম-ই বলা চলে। তবুও ওই যে বললাম ‘যার যেটা ভাললাগে সে সেটাই করুক’। ওকে তাই কেউ কোনোদিনও বাধা দেয়নি। অনেক দূর পড়াশুনো করলেও বড়দা সায়ন্টিস্ট হতে পারেনি, তবে ব্যবসাতেও মাথা গলায়নি। ব্যবসাটা ঘাড়ে তুলেছিলাম আমি। বড়দা গিয়েছিল একটা প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করতে আর অমরনাথে যাবার পথে বউদি সমেত প্রাণটা দিয়ে এল ভগবানের পায়ে। সেই তখন থেকেই এই সুমন, আমার বড় ছেলে। আসলে, সত্যি বলতে আমার এক ছেলে কিন্তু মিথ্যা বলতে দুই। সুমন যদিও এসবের কিছুই জানে না। ও শুধু জানে, ব্যবসাটা ওর জন্য নয়। ওটা না হয় ওর ছোট ভাই-ই দেখুক।

৬-ই সেপ্টেম্বর ২০১৯ – না, কোনও বিশেষ দিন নয়, তবে সকাল থেকেই ভিতরটা ধীরে ধীরে হালকা হয়ে যাচ্ছিল আমার। কলকাতা মেট্রোর এক্সটেনশনের কাজে, আমাদের এই স্যাকরা পাড়ার বেশ কতগুলো বাড়ি-দোকান হুটপাট মুখ থুবড়ে পড়েছে গত কয়েকদিনে। আমাদের বাড়িটার অবশ্য এখনো তেমন কোনও ক্ষতি হয়নি। “ক্ষতি হবেও না, ভগবান আছেন! কবেকার বাড়ি! তখনকার মাল মেটিরিয়াল”- এসব বলে নিজেকে সান্ত্বনা দিলেও আমি জানি এটা ভগবানের কাজ নয়। বড্ড রাগ হয়। আমি আর কতদিন! অলরেডি উনসত্তর। খুব বেশি আর বছর পাঁচেক। এই মেট্রোতে তো অন্য লোকে চড়বে, তাদের জন্য কেন বাপু এই বাপ ঠাকুরদার বাড়িটাকে নিজের চোখে ধ্বসে যেতে দেখব বলুন তো?

দোকানটা আমাদের বাড়ির নিচেই। চন্দ্র জুয়েলার্স। ভালবাসে আমরা ‘চাঁদ’ বলি। আর সেই শুনে বাইরের লোকেরা আবার আমাদের পুরো বাড়িটাকেই ‘চাঁদ’ বানিয়ে দিয়েছে। সে যে যা ইচ্ছে বলুক, আমি বাপু রোজ দু-বার করে চাঁদে যাই। সকালে উঠে একবার আর দুপুরে খেয়ে দেয়ে আরেকবার। চাঁদে যেতে আমার বেশ লাগে। তাই সেদিন বেশ হকচকিয়েই গিয়েছিলাম, যেদিন সুমন বলল “বাবা আমি চাঁদে যাব!” প্রথমে ভেবেছিলাম দোকানে বসতে আসছে নাকি রে বাবা! কিন্তু পরে যখন শুনলাম “নেক্সট প্রোজেক্ট মিশন মুন!” তখন একটু স্বস্তি হল। আসলে প্রদীপ, মানে আমার ছোট ছেলেটা, এই ব্যবসাটা ছাড়া আর কিছু করতে পারবে বলে আমার মনে হয় না। একটু তো ভয় হয়-ই। সুমনের মত স্পেস সায়ন্টিস্টদের কাজকম্ম আমি তেমন কিছু বুঝি না। বুঝি শুধু ছেলেটা ওর বাবার মতো। আমার মতো নয়! কিন্তু আজকে কেন জানিনা আমার এই বুড়ো বয়সে, সুমনের মতো হতে ইচ্ছে করছে। যতোই হোক আমার মায়ের পেটের ভায়েরই তো ছেলে। তারপর আবার আমিই ওর বাবা। সে মিথ্যা করেই হোকনা কেন!

সেদিন সকালে আর চাঁদে যাইনি। সকালেই কর্মকারদের ছেলেটা যখন বলল ‘কাকাবাবু পালান, যে কোনো সময় ধ্বসে পড়তে পারে’ তখন বিশ্বাস না হলেও বুকটা ছ্যাঁত করে উঠেছিল। এ পাড়ার মুখ থুবড়ে পড়া বাড়িগুলো যেন চোখের সামনে তখন। ‘এভাবে আবার বাড়ি ধ্বসে পড়ে নাকি! তাও আবার কলকাতা শহরে!’ এই বিশ্বাস আর অবিশ্বাসের মাঝে বেশিক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকাটা খুব কষ্টকর। তবুও সকালটা এভাবেই উদ্বেগ, চাপা আতঙ্ক আর একটা “কী হবে?” প্রশ্নের উত্তরে নিজেই নিজেকে দেওয়া কিছু সান্ত্বনার মধ্যেই কাটিয়ে দিলাম। একটু বেলা গড়াতেই সুমনের ফোনটা এল, “বাবা চাঁদে যাওনি আজ!” একটু ব্যস্ত হয়ে সুমন বললেও আমি বেশ শান্ত ভাবেই বললাম, “আজ আমি, তোমার চাঁদে যাওয়া দেখব! তাই আর গেলাম না।“ আসলে কিছু পুরনো কাস্টমারদের জন্য দোকানের ল্যান্ড ফোনটা তুলে দিতে পারিনি। সুমন হয়তো ওখানেই ফোন করেছিল! “বাবা আমি বেরোলাম! আশীর্বাদ করো যেন সব ঠিক হয়!” সুমন বলার পর বুকটা গর্বে ভরে গিয়েছিল। মনটা নিজে থেকেই বলে উঠেছিল, তোর বাবা চাঁদেই আছেন রে, সব ঠিক করে দেবেন। আমার আশীর্বাদের আর কী দরকার! যদিও মুখে বলেছিলাম, “আমার আশীর্বাদ সবসময় তোমার সঙ্গে। আমি এই বুড়ো বয়সে দু’বেলা চাঁদে যাচ্ছি আর তোমার ওই যন্ত্র, কী যেন নাম প্রজ্ঞান না কী, যাবে না! নিশ্চয় যাবে! আমরা সবাই দেখব, সব চ্যানেলেই তো দেখাবে!“

“দেখো। আজ তোমার ওই নীল শার্টটা পরেছি। ওটা খুব লাকি। টেলিমেট্রি সেন্টারে দূর থেকেই তুমি বুঝে যাবে”, কথাগুলো সুমন বললেও আমি বেশ বুঝেছিলাম ওর ভিতরটা বেশ অশান্ত। তাই আর বেশি কিছু বলিনি। শুধু বলেছিলাম “মনটাকে খুশি রেখো, দেখো সব ঠিক হবে। আর মিশন কমপ্লিট হলেই আমাকে ফোন কোরো। আর কাউকে করবে না কিন্তু”। আসলে আমার মাথা জুড়ে তখনও কু-চিন্তাগুলো ভনভন করছে। উচিৎ আর অনুচিতের হিসাবটা আমি ঠিক কষে উঠতে পারছিলাম না। আশেপাশের প্রত্যেকটা বাড়িই আমার ছেলেবেলার এক একটা দিন। সেই জন্মকাল থেকে আমি এই পাড়াতেই। চোখে দেখতে পারছিলাম না আর! টিভিটা চালিয়েই বন্ধ করে দিলাম। আর তখনই আবার সুমনের ফোন। “বাবা তোমাকে একটা কথা জিজ্ঞেস করা হয়নি” বলার পর বেশ কিছুক্ষণের একটা নীরবতা কাটিয়ে আবার বলল, “বাবা, বাড়িটা ঠিক আছে তো? কোনও ফাটল নেই তো?” গত কয়েকদিন ধরেই আমাদের মধ্যে একটা লুকোচুরি চলছিল। আমি জানতাম সুমন সব জানে। কিন্তু বলিনি। আর সুমনও হয়তো আমাকে এই খেলাটায় জিতিয়ে দিতে চেয়েছিল। আমার সবটা বলতে ইচ্ছে করছিল। নবীনদের, মল্লিকদের বাড়ি ধ্বসে যাওয়া থেকে শুরু করে রাস্তার বিশাল ফাটল কিন্তু বললাম না। বললাম শুধু “না, না! আমাদের এদিকটাতে কিছু হয়নি। ওই মল্লিক বাড়ির দিকটাতে কী সব হয়েছে বলছে। যাই হোক, তুমি এসব নিয়ে ভেবো না! কতদুর?” আবার কিছুক্ষণ আমরা দুজনেই নীরব, তারপর সুমন নিজেই বলল, “এই তো ঢুকছি। সাবধানে থেকো”।

দুপুরে ঘুম না আসলেও জোর করে শুলাম। রাত জেগে নীল শার্টে ইসরো-র টেলিমেট্রি সেন্টারে সুমনকে দেখব বলে। ‘উৎকণ্ঠা’ জীবনে অনেক বার অনেক ভাবে এসেছে, কিন্তু এই শেষ কালে এভাবে আসবে ভাবতেও পারিনি। তবুও মনটা মাঝে মাঝেই ভিজে যাচ্ছিল। ‘প্রজ্ঞান’ বলে যে যন্ত্রটা সুমনরা বানিয়েছে ওটাও নাকি সোনার মোড়কে ঢাকা। সোনার ক্ষয় কম। মাঝে মাঝেই মনে হয়েছে ওটা যদি আমি বানাতাম। তারপর ওই যন্ত্রটার চাকায় উল্টো করে আঁকা অশোক স্তম্ভটা, যেটা চাঁদের মাটিতে চললে সোজা করে অশোক স্তম্ভ আঁকবে, ওটাও আমি আমার এই কর্মচারীদের দিয়ে দিব্বি বানিয়ে দিতাম। সে যাই হোক, আমাদের সুমনের বানানো যন্ত্রটা চাঁদে যাবে ভাবলেই আনন্দের একটা শিহরন আসছিল। কিন্তু বিকেল হতে না হতেই আবার আমার ভিতরটাকে কাঁপিয়ে মল্লিকদের পাশের বাড়িটাও পড়ে গেল। আর সেই সঙ্গে ঘুটঘুটে অন্ধকার! খুব ভয় করছিল! মাঝে তো আর মাত্র তিনটে বাড়ি! বুকের ভিতরটা হালকা হয়ে আসছিল মুহূর্তে মুহূর্তে! চাঁদ আমার জীবন, আমার বাপ ঠাকুরদা’র উপহার, আমার ভাত-কাপড় আর সর্বোপরি আমার মা-বাপ। বাড়িটা ধ্বসলে সবার আগে দোকানঘরটাই… আর ভাবতে পারছিলাম না। দৌড়ে গেলাম নীচে। বাড়ির চারপাশটা একবার দেখলাম। না, সেরকম কোনও ফাটল ধরেনি। ছোটখাটো কিছু ফাটল থাকলেও সেগুলো পুরনো। তারপরই ছাদে, চারপাশটা কেমন যেন থমথমে। ছেলেবেলা থেকে ছাদের চারপাশ অনেক চেঞ্জ হয়েছে, কিন্তু এরকমটা আগে কোনোদিনও দেখিনি। কেমন যেন হুট করে ন্যাড়া হয়ে গেছে চারপাশটা। নীচে থেকে দৌড়ে এলো প্রদীপ “বাবা তুমি ছাদে কী করছ? মল্লিকদের পাশের ফ্ল্যাটটাও পড়ে গেল!” হাঁপাতে হাঁপাতে বললেও আমার কপালে কোনও ভাঁজ পড়তে না দেখে ছেলেটা নিজের ভয়টা একটু বাড়িয়ে বলল, “হুড়মুড়িয়ে পড়ে গেল সব!” আমি তখনও অবিচল, নিশ্চুপ। কিন্তু যখন বলল, “আমাদের বাড়িটাও যদি পড়ে যায়!” বুকটা ছ্যাঁত করে উঠল। অন্ধকারটা তখন আষ্টেপৃষ্ঠে আকাশটাকে ধরতে চাইলেও অর্ধেকের একটু কম চাঁদ তার লড়াইটা জাস্ট শুরু করেছে। আমি দৌড়ে গেলাম চাঁদে, লকারটা খুলে সমস্ত সোনাগুলো বের করে ভরে নিলাম একটা বস্তায়। কিন্তু আরও কত কিছু আছে! সেই কবেকার দোকান আমাদের। প্রতিটা দেওয়াল, প্রতিটা ইট এক একটা সোনা। সেগুলোর কাছে আমার বস্তাবন্দী সোনা যেন কিছুই না! বস্তাটা ভর্তি করলেও আর তুললাম না। যা হবে দেখা যাবে!

এতক্ষণে আমাদের চারপাশ পুলিশে পুলিশে ছয়লাপ! সবাইকে ঘরছাড়া করতে ব্যস্ত। খুব রাগ হচ্ছিল। আমার ঘর, আমার বাপ ঠাকুরদার দালান, এখানেই আমি মরব, তোরা কে রে আমাকে ঘর থেকে বেরোতে বলার! কিন্তু মৃত্যু কী আর মানুষের সময়ের হিসাব বোঝে! “কেন যাব?”-টা যেন মুহূর্তের মধ্যে “যেতেই পারি” হয়ে গেল। চুপচাপ চলে গেলাম পাশের পাড়ার মৃণালদের ঘরে। মৃণালরা আমাদেরই জ্ঞাতি। আমার চাঁদ আর সুমনের চাঁদ তখন ভীষণ ব্যস্ত মৃণালদের টিভির একুশ ইঞ্চির স্ক্রিনটাকে গিলে খাবার লড়াইয়ে। পাড়ার মোড়ে মোড়ে ব্যারিকেড, যাতে কেউ যেতে না পারে। আমি মৃণালকে বলে টিভিটা বন্ধ করে দিলাম। যা হবার হবে।

রাত্রি দেড়টা বেজে গেলেও দু’চোখের পাতা এক হল না। কত উদ্ভট উদ্ভট ভাবনা আসছিল মাথায়! সুমনদের চাঁদে নামানোর যন্ত্র, ল্যান্ডার-বিক্রমকে দেখে চাঁদে থাকা বাচ্চাগুলো হয়তো ঘুড়ি-দৌড় শুরু করেছে, ঠিক যেমনটা আমি করতাম আমাদের চাঁদের আশেপাশে। এতক্ষণে হয়তো ল্যান্ডার-বিক্রম ওই চাঁদের মাটি ছুঁইছুঁই! তারপর ওই চাকা লাগানো যন্ত্র প্রজ্ঞান বেরবে। কোনও হত-দরিদ্র মা যন্ত্রটাকে দেখেই যদি লুকিয়ে নেয় তার আঁচলে! না, না এমনটা হবে না, তাছাড়া ক্যামেরা লাগানো আছে! ধুর! চাঁদে আবার মানুষ আছে নাকি! এসব ভাবতে ভাবতেই নিজের অজ্ঞতার উপর হাসি পেল। ইশ! আমি যদি সুমন হতাম। কিন্তু আমিও তো কিছু একটা হয়েছি জীবনে! আমারও একটা চাঁদ আছে! আমি চুপচাপ বেরিয়ে পড়লাম মৃণালদের ঘর থেকে। গলিগুলো তখন শুনশান! যে কুকুরগুলো রাত্রে বাঘ হয়ে যায় সেগুলোও আজকে নিস্তেজ। আমি নর্থের ছেলে, বাড়ির ছাদে ছাদে ঘুরেছি, তাকে কিনা আটকাবে একটা ব্যারিকেড! মল্লিকদের বাড়ির ধ্বংস স্তুপের পিছন দিয়ে দেখলাম, না আমার চাঁদ ঠিকই আছে। বাড়িটাও হেলে যায়নি। আরও একটু কাছে গেলাম। দেওয়ালের চারপাশটা ঘুরতেই বুকটা ছ্যাঁত করে উঠল। আমি আমার আঙুলের সাইজ জানি। ঠিক দু’ইঞ্চির একটু বেশি একটা ফাটল আমার বুকটাকে যেন ফাটিয়ে দিল। কান্না চেপে রাখতে পারিনি! আর তখনই একদল পুলিশ এক রকম জোর করে সরিয়ে নিল আমাকে। সরে যেতেই একটা বিকট আওয়াজে কেঁপে উঠল চারপাশ। কী জানি, হয়তো আমাদের চাঁদ-ই…। নিজেই নিজেকে সান্ত্বনা দিলাম, “ওই দু’ইঞ্চির একটু বেশি ফাটলে তেমন কিছু হবে না”। মোড়ের বন্ধ মিষ্টির দোকানের ঘড়িটা বেজে উঠল, রাত দু’টো। চাঁদের মাটিতে সুমনের বানানো চাকাগুলো এতক্ষণে ঘুরছে নিশ্চয়! আবার একটা বিকট আওয়াজ! ওমনি পাশেই মোবাইলে ব্যস্ত একজন পুলিশ মাথা চাপড়ে বলল, “যাঃ, নিশ্চয় ভেঙে পড়েছে!”

“চাঁদ?” নিজে থেকেই বললাম আমি। পুলিশটা বলল, “না, চাঁদ নয়; ইসরোর চন্দ্রযানটা! খবর পাওয়া যাচ্ছে না কিছু। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন! আর মাত্র দুই দশমিক এক কিলোমিটার পার করলেই অক্ষত অবস্থায় চাঁদে ল্যান্ড করত।”

আরও পড়ুন...