Hello Testing Bangla Kobita

প্রতি মাসে দ্বিতীয় রবিবার

Advertisement

3rd Year | 5th Issue

রবিবার, ১লা আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ | Sunday, 18th September 2022

উ দা সী ন  তাঁ ত ঘ র 

প ঙ্ক জ   চ ক্র ব র্তী

pankaj

অলীক দরজা অথবা মুখের পাথর ছবি

কবিতার পাঠক হিসেবে আমাদের হাতে শেষপর্যন্ত কোনো অস্ত্র নেই, কিছু মুদ্রাদোষ আছে। কবিতা বোঝার প্রকাশ্য কোনো বিশ্লেষণে আমরা তাকেই কাজে লাগাই। গত একশো বছরের এই পদ্ধতি নিয়ে খুব একটা কথা যে ওঠেনি তার কারণ পাঠক বা সমালোচক হিসেবে আমরা প্রত্যেকেই সেই সুবিধাভোগী। তাই প্রকাশ্য ঘরোয়া কবিতা পাঠের আসরে অনেকেই মুগ্ধতা জানাতে বলেন ‘কবিতাটি ছুঁয়ে গেল।’ এই মাপকাঠি শহর-মফসসলে অনেকদিন রাজত্ব করে চলেছে। এমনকী ‘কবিতা বোঝবার নয়, বাজবার’ এই মুদ্রাদোষ কীভাবে যেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশ্নপত্রে নমুনা হিসেবে ঢুকে পড়ে। আমাদের হাতে কোনো অস্ত্র নেই, শুধু বিদ্যা চাপা দেওয়ার কয়েকটি মুদ্রাদোষ কবির লোভের আগুনে পরিযায়ী পাখির মতো মাঝে মাঝে ডানা মেলে। সমস্ত ফাঁক এবং ফাঁকির আড়ালে কবি এবং পাঠক আসলে খুঁজে নেন একটি কমন ল্যান্ড যেখানে দুইপক্ষের অসহায় আত্মগ্লানি একে অপরকে কুর্নিশ করে চলে প্রতিমুহূর্তে।

পাঠকের চিঠির সুবর্ণযুগ আজ আর নেই। একজন লেখকের জীবনে সেই অভাবটুকুর বেদনা দৃশ্যত উধাও। কোনো এক অলীক দুপুরের হলুদ পোস্টকার্ড এখন অতিথি চরিত্র। অথচ পাঠপ্রতিক্রিয়া আছে বহাল তবিয়তে। দৈনিক পত্রিকা অথবা সাহিত্য পাক্ষিকে পুস্তক সমালোচনার গুরুত্ব কমে গেছে অনেকখানি। শুধু নির্বিচার বিশ্বাসের সুদূর মরীচিকা এখনও হাতছানি দেয়। প্রযুক্তি দ্রুত বদলে দিয়েছে আমাদের সাহিত্য বিচারের অভ্যাস ও কর্তব্য। এক অলীক ভাবনার চিরাচরিত বয়ানে বছরের পর বছর কাজ চলে যাচ্ছে। আত্মবিজ্ঞাপনে কৃতজ্ঞতা প্রকাশের ছলনা, বুঝেও না বোঝার মুদ্রাদোষে আক্রান্ত। কত ছোটো হয়ে গেছি আমরা। আরও কত ছোটো হব। অলীক বিশ্বাসের আগুন আজ কে নেভাবে? লেখক-পাঠক-পাঠপ্রতিক্রিয়ার মসৃণ পথে কত অবৈধ লুকোচুরি সমালোচনা সাহিত্যর নামে ডানা  মেলেছে আজ ভাবলে অবাক হতে হয়। শুধু এক অবিশ্বাস্য আত্মপ্রতারণার মুগ্ধতা নিয়ে মনে মনে বলতে হয় সার্থক জনম আমার।

এই তো সেদিন অতিশয় পঞ্চাশের দিনগুলিতে প্রথম সূচনা হয় কবিসম্মেলন বা কাব্যসভার। লেখক পাঠকের অদৃশ্য সেতুটিকে প্রত্যক্ষ করবার অভিপ্রায়ে। একজন কবি তাঁর পাঠকের মুখোমুখি দাঁড়ালে একটা সত্যিকারের অভিজ্ঞতা হবে। কখনও বা ভাবা হল এই ধরনের কাব্যসভা ‘আত্মকেন্দ্রিক কবিকে চোখ তুলে তাকাতে’ সহায়তা করবে। কার্যত ইতিহাস আমাদের জানালো উল্টো এক অভিজ্ঞতার কথা। কবিতার চেয়ে কবির রঙিন উন্মত্ত জীবনের প্রতি পাঠকের আগ্রহ দেখা গেল। কবির জনপ্রিয়তা আর হাততালির বিপণন হল সর্বাগ্রে। পাঠকের ভূমিকায় মিশে গেলেন ছদ্মদর্শক আর প্রায় পঞ্চাশ বছর বজায় রইল জনপ্রিয়তা আর মিডিয়া প্রতিষ্ঠানের মৌরসীপাট্টা। কবির অধিকার আর পাঠকের অভ্যর্থনার মাঝখানে এসে দাঁড়াল কিংবদন্তি অতিশয়োক্তি।

যেকোনো লেখকই জানতে চান তাঁর লেখা সম্পর্কে পাঠকের মতামত। মূলত যাঁরা সাধারণ পাঠক তাঁদের মতামত না পেলে লেখকের উদ্দেশ্য অনেকখানি আহত হয়। আর কে না জানে রহস্য কাহিনি অথবা সস্তা প্রেমের উপন্যাসের অনেক পাঠকই নির্বিকার এবং বোবা। তুলনায় কবিতার পাঠক অনেক চতুর এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। কেননা কবিতার পাঠকের আগামী দিনের প্রতিশ্রুতিমান কবি হয়ে ওঠার সম্ভাবনা প্রবল। অথচ তাঁর প্রাথমিক পরিচয় একজন পাঠকের। জনপ্রিয় কবিকে তাঁর উল্লেখযোগ্য কবিতা উদ্ধৃত করে করে সে আদায় করে নেয় হাসিখুশি মুখের স্নেহ এবং প্রশ্রয়। তারপর একদিন ডানা মেলে অন্য এক অলীক মরীচিকার দিকে হাত বাড়ায়। মোহভঙ্গ হয়। মোহের বিলাপে তখন আর পাঠকের প্রতিক্রিয়া থাকে না। তবু একদিন সাধারণ পাঠকের চিঠির গুরুত্ব ছিল লেখকের জীবনে। পত্রিকার পাতায় অনেক অচেনা পাঠকের অসামান্য বিদগ্ধ পাঠপ্রতিক্রিয়া লেখকের সাধনাকে সার্থক করে তুলত।

বেশ কিছুদিন আগেও বিশিষ্ট এবং অগ্রজ লেখকের পাঠক হিসেবে মতামতের ভূমিকা ছিল একজন তরুণ লেখকের জীবনে। বিখ্যাত এবং যশস্বী অনেক লেখককে সভায় অথবা বাড়িতে গিয়ে সদ্যপ্রকাশিত বই উপহার দেবার রীতি ছিল । উদ্দেশ্য প্রবীণ  লেখকের পাঠপ্রতিক্রিয়া এবং শুভেচ্ছা-উৎসাহ ইত্যাদি। দুর্বল এবং অক্ষম কবিকেও অতোশয়োক্তির মিথ্যে আশীর্বাদ পাঠাতে হত তাঁদের। না হলে প্রবীণ কবির যজমানি এবং সোনার সিংহাসন থাকে না। অনেক বিখ্যাত ব্যক্তির পাঠপ্রতিক্রিয়াকে বিজ্ঞাপন হিসেবে পরবর্তী সংস্করণে মুদ্রিত করা হতো। বড়ো কবির ছায়ার পৃথিবীর নীচে কত অনুজ কবির উদাসীন তাঁতঘর ভেঙে গেছে। আমরা বারবার দেখেছি, তবু শিক্ষা নিইনি। আর এভাবেই দু-একজন বড়ো কবির পাঠ-প্রতিক্রিয়া বা ব্যজস্তুতি স্বীকৃতিকে গলার মাদুলি করে বৈতরণী পেরোতে চাই।

জীবনের শেষ তিরিশ বছর রবীন্দ্রনাথকেও সইতে হয়েছে পাঠপ্রতিক্রিয়ার দায় ও দায়িত্ব। গুরুর ভূমিকা নিয়ে পাঠাতে হয়েছে অনর্থক শুভেচ্ছা আর স্বীকৃতি। কখনও কখনও ‘চিত্ররূপময়’ যুগান্তকারী কবিতার স্বপক্ষে নীরব থাকতে হয়েছে। অনেকসময় কথাটি যতখানি ভাবের ততখানি যুক্তির নয়। বরং এমন এক সর্বজনীন আবেদন আছে এর যা যেকোনো সময়ের যেকোনো লেখকের ক্ষেত্রে সত্যি হয়ে উঠতে পারে। যেন একটা ছাঁচে সামান্য শব্দ বদলে অনেকের জন্য ব্যবহার করা যায়। অনুজ কবি যতীন্দ্রমোহন বাগচীর ‘নাগকেশর’ কাব্যগ্রন্থ পড়ে রবীন্দ্রনাথ চিঠিতে লিখছেন ‘তোমার লেখনী তোমার কবিত্বকে পক্ষিরাজ ঘোড়ার মতন এখনো সমান বেগে বহিয়া লইয়া চলিয়াছে,এখনো তাহার ক্লান্তির লক্ষণ নাই, বরঞ্চ নিজের গতিবেগে সে যেন আরো মাতিয়া উঠিয়াছে। তোমার নিপুণ ছন্দের পায়ে পায়ে অনায়াস নৃত্যলীলার নূপুর বাজিতেছে।’ এই পাঠপ্রতিক্রিয়া ভুল করে যদি কালিদাস রায়ের কাছে চলে যেত খুব ক্ষতি হত কি? হয়তো না। এই বয়ান তৎকালীন বাংলাদেশের যেকোনো কবিই হয়তো নিজের সত্য স্বীকৃতি হিসেবে ভাবতেন। প্রায় দশ বছর পর যতীন্দ্রমোহনের কবিতার বই পড়ে রবীন্দ্রনাথ আশ্বাস দিচ্ছেন ‘তোমার কাব্য নিজের সুনিশ্চিত পরিচয় নিজের মধ্যে বহন করেই পাঠক সমাজে দাঁড়িয়েছে’ –  এই কথাগুলিও যেকোনো কবিই নিজের গৌরব এবং স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচনা করতে চাইবেন। মোহভঙ্গের অনিশ্চিত পথে তিনি দাঁড়াবেন সেই শক্তি রবীন্দ্র ক্ষমতার পাশে নেহাতই তুচ্ছ। আশার ছলনে এই কুহকই গত একশো বছরের পাঠপ্রতিক্রিয়া বা সমালোচনার প্রধান রীতি।

বিভূতিভূষণও ‘পথের পাঁচালী’ সম্পর্কে কিছু লিখতে রবীন্দ্রনাথকে অনুরোধ করেছিলেন। এমনকী সেই লেখা সরাসরি ‘বিচিত্রা’ পত্রিকায় পাঠানোর আবদারও করেছিলেন। হয়তো ভেবেছিলেন পাঠকের আগ্রহ তাতে আরো বৃদ্ধি পাবে। রবীন্দ্রনাথের মতামত তাঁর কাছে সৌভাগ্য এবং সার্থকতার মাপকাঠি। ক্ষমতাকে ব্যবহারের এই কৌশল তৎকালীন প্রায় সব লেখকই করেছেন। রবীন্দ্রনাথ পরে অবশ্য এই বই সম্পর্কে বলেছেন ‘বইখানা দাঁড়িয়ে আছে আপন সত্যের জোরে।’ এই কথাও নিজের বই সম্পর্কে যেকোনো লেখক বিশ্বাস করবেন। তবে ঐ একই রচনায় রবীন্দ্রনাথ এমন কিছু কথা বলেছেন যা বইটিকে চেনার জন্য অত্যন্ত জরুরি। 

তবে জীবনানন্দের ক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথের প্রতিক্রিয়া ফলপ্রসূ হয়েছে বলে মনে হয় না। বরং বেশ একটা রুচির এবং দূরত্বের ব্যাধি আছে। তাই ‘ভাষা প্রভৃতি নিয়ে এত জবরদস্তি কর কেন’ রবীন্দ্রনাথের কথাকে তিনি কীভাবে গ্রহণ করেছিলেন জানি না কিন্তু ‘বড়ো জাতের রচনার মধ্যে একটা শান্তি আছে’ একথা বিশ্বাস করা তাঁর পক্ষে শক্ত ছিল। আর এইসূত্রে নিশ্চিত কোনো এক স্ববিরোধে আক্রান্ত ছিলেন তিনি। এই চিঠির পনেরো বছর পর রবীন্দ্রনাথকে জীবনানন্দ লিখছেন ‘অক্ষম হলেও শক্তির পূজা করা এবং শক্তির আশীর্বাদ ভিক্ষা করা আমার জীবনের সবচেয়ে বড় সাধনা।’ স্বীকৃতির জন্য জীবনানন্দের এই আত্মছলনার হয়তো শেষপর্যন্ত কোনো প্রয়োজন ছিল না। রবীন্দ্রনাথের তরফে যতীন্দ্রমোহন বাগচী যে সমালোচনার যোগ্যতা পেয়েছেন জীবনানন্দের জন্য তার সিকিভাগও নেই। বরং এসে পৌঁছেছে এই কথা ‘তোমার লেখায় রস আছে, স্বকীয়তা আছে এবং তাকিয়ে দেখার আনন্দ আছে।’ এই কথা প্রায় সব লেখকই নিজের ক্ষেত্রে মৌলিক সত্য বলে মেনে নেবেন আজও।

তবু আজও পাঠপ্রতিক্রিয়ার বিরাম নেই। সমালোচনা নিয়ে অভিমান অভিযোগের পাহাড়ে মিথ্যে মনান্তর চলেছে আজও। সমস্ত যুদ্ধ এক অলীক ছায়ার বিরুদ্ধে । বেশিরভাগ কবিতার পাঠক এবং সমালোচক একটা বায়বীয় অর্থহীন কথার জাল বুনে কবিকে আশার ছলনায় বিপথগামী করে চলেছেন। একশো বছর পরেও সেইসব কথা সমালোচনার ছলনায় হাজির গ্রন্থ সমালোচনা বা পুস্তক পরিচয়ে। সাম্প্রতিক দু-একটি উদাহরণ দিই-

১। কবির ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা এবং অনুভূতির সঙ্গে একাত্মভাবে জড়িয়ে রয়েছে তাঁর নৈর্ব্যক্তিক দৃষ্টিভঙ্গি। সম্পর্ক এবং ভালবাসার নানা কথা,নানা অভিব্যক্তি ধরা পড়েছে তাঁর কবিতায় ব্যঞ্জনার মধ্যে দিয়ে।

২। জীবন একটা ছন্দের মতো। প্রেম-বিরহ, জীবন-মৃত্যু ,আলো-অন্ধকার — আরও কত কিছু এ জীবনে তাই লেখালেখির বিষয় হয়ে পড়ে। তা কখনও কবির কলমে শব্দ জুগিয়ে চলে অনায়াসে আবার কখনও তাঁর চিন্তাতরঙ্গে ঢেউ তোলে। কবির ভাবনা তাই কখনও শেষ হয় না। লিখতে লিখতে শেখা আবার সেই শেখা থেকে নতুন লেখার ভাবনা।

এই সমালোচনা দু’টি যে বই সম্পর্কে,  যদি ভুল করে অন্য কবিতার বই সম্পর্কেও লেখা হত তাহলেও কোনো সমস্যা হত না। এইসব কথা নিতান্তই বায়বীয়। সমালোচনা, প্রধানত কবিতার সমালোচনা শেষপর্যন্ত এক অলীক দরজায় আমাদের দাঁড় করায় যেখানে অনেক দশকের অতীত থমকে আছে।

আজ সামাজিক মাধ্যমে পাঠপ্রতিক্রিয়া প্রতিমুহূর্তে উৎপাদিত হচ্ছে। বিজ্ঞাপন, আত্মপ্রকাশ, আত্মপ্রচার এবং বিপণনের ক্ষেত্রে তার যথেষ্ট প্রভাব। মূলত পাঠকের স্বতোঃপ্রণোদিত মূল্যায়ণ এবং বইটির প্রচারে এই ভূমিকা যথেষ্ট জরুরি। তবুও আজও স্পষ্ট বলার চেয়ে অলীক বায়বীয় মূর্ছনা বাজিমাত করে চলেছে। আত্মছলনা আর লোভের ব্যক্তিগত স্বীকৃতির জন্য কবির তরফে প্রত্যাখান বা সত্যভাষণের সুযোগ নেই। জীবনানন্দ এবং আজকের কবি প্রায় একই অবস্থানে দাঁড়িয়ে আছেন।

রবীন্দ্রনাথের ক্ষমতা যেমন, তেমনই আজকের অনেক কবি একইভাবে এই সেদিনও দাঁড়িয়ে ছিলেন শঙ্খ ঘোষের সামনে। মৃত্যুর আগে পর্যন্ত প্রায় নির্বাক, অসুস্থ, ব্যাধিপীড়িত, অশীতিপর এই কবিকে প্রায় প্রতিদিনই বই হাতে বাধ্য হয়ে ছবির পর ছবি তুলতে মৌন সম্মতি দিতে হয়েছে। লিখে নয়, উপস্থিতি দিয়ে তাঁর ছবি ব্যবহার করে বিজ্ঞাপনের পসরা সাজানো হয়েছে। রবীন্দ্রনাথের মতো তাঁরও কোনো উপায় ছিল না। যশোপ্রার্থীদের বই হাতে আমরা দেখেছি তাঁর উদ্যমহীন নিষ্কম্প অসহায় মুখ, মুখ নয় যেন মুখের পাথর ছবি। এইভাবেই চলেছে গত একশো বছরের নব্বইভাগ কবিতার সমালোচনা, কখনও অর্বাচীন পাঠপ্রতিক্রিয়া। কবি এবং পাঠক শেষপর্যন্ত শব্দের কুয়াশায় যে কুহক নির্মিত হয়েছে তাকে না বুঝে ভালোবেসেছেন আর আত্মপ্রতারণার ছলে বিশ্বাস করেছেন প্রতিমুহূর্তে। তবু আজও সমালোচনা উৎপাদিত হয়। লেখা থেকে যে মানুষ কিছুই পেলেন না, অলীক পাঠকের প্রতিক্রিয়া তাঁকে অক্ষম ঈর্ষা থেকে কিছুক্ষনের জন্য শান্তি দেয়। হে অলৌকিক মুগ্ধতা- আমাদের ফুটপাত নেই শুধু খাটের নীচে রাশি রাশি জমে ওঠে অন্ধকার বই।

* ক্রমশ  

আরও পড়ুন...

প্রতি মাসে দ্বিতীয় রবিবার