Hello Testing Bangla Kobita

প্রতি মাসে দ্বিতীয় রবিবার

Advertisement

2nd Year | 3rd Issue

রবিবার, ২২শে শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | Sunday, 8th August 2021

উ জ্জ্ব ল পা ঠ ।  পর্ব ৯

সে লি ম   ম ণ্ড ল

একটি নিঃসঙ্গ প্রজাপতি: স্বপনবরণ আচার্য

বছর চার-পাঁচ আগে, কথাসাহিত্যিক তমাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের ফেসবুক পোস্টে দেখি— স্বপনবরণ আচার্যের কবিতা। ওই আমার প্রথম স্বপনবরণ পড়া। এরপর পর  পর বেশ কয়েকজন স্বপ্ননবরণ আচার্যের কবিতা পোস্ট করতে থাকেন। সত্তরের এই কবি একসময় যথেষ্ট জনপ্রিয় ছিলেন। প্রথম সারির সমস্ত বাণিজ্যিক পত্রিকায় লিখতেন। বড়ো অভিমানী। নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছিলেন। তবে তাঁর সাহিত্য সাধনা থেমে থাকেনি। 

   

যাঁর কবিতা আমায় টানে, আমি তাঁর সমস্ত লেখা পড়ার চেষ্টা করি। সেইসময় স্বপনবরণ আচার্যের কোনো কাব্যগ্রন্থ পাচ্ছিলাম না। ফেসবুকের সমস্ত লেখা সেভ করে একটা ফোল্ডার করে রাখি। স্বস্তি পাই না। ছিন্ন-বিচ্ছিন্নভাবে এই পাঠ আমার কবিতাক্রান্ত মনকে আরও উদ্রেক করে তোলে। তমালদার সঙ্গে যোগাযোগ করে জানতে পারি, তাঁর একটি গ্রন্থ (বাছাই কবিতার সংকলন) পাওয়া যাবে। জেরক্স করে নিতে হবে। একটি বইয়ের মলাটের স্পর্শানুভব যে বই পাঠকে যতটা আন্দোলিত করে তা বোঝানো সম্ভব নয়। ‘অন্ধের স্পর্শের মতো’ উলটে পালটে পড়তে পড়তে স্বপনবরণের কবিতার মেঘ কখন নিজের দুয়ারে এসেছে ছাঁট দিয়েছে টের পাইনি…

 

সাতের দশকের এই কবি ২০ ডিসেম্বর ১৯৬৫, কৃষ্ণনগর জন্মগ্রহণ করেন। কবিতার পাশাপাশি উপন্যাস, গল্প, প্রবন্ধ, ট্রান্সক্রিয়েশন, নাটক, টেলিফিল্ম, থিয়েটার-ফিল্ম একাধিক ক্ষেত্রে তিনি বিচরণ করেছেন। 

 

জানুয়ারি ২০১৯-এ ‘মুদ্রা’ প্রকাশনী থেকে ‘পঞ্চাশপেরিয়ে’ নামে একটি তাঁর কাব্যসংকলন প্রকাশ পায়। তৃপ্তির খিদে নিজের ভিতর আবার জেগে ওঠে। এই বইয়ের মুখবন্ধে তিনি বলেছেন— “২০০৭-এ প্রকাশিত ‘কুড়ি বছরের কবিতা’-র কয়েকটি বাদ দিয়ে বাকীগুলো এখানে রইলো। সঙ্গে এলো নতুন তেইশটি দীর্ঘ কবিতা, ড্রামাটিক মনোলগ। মোট ১২৮টা লেখা। কবিতা লেখা নিয়ে আমার আর কোনো আফশোষ নেই। চিন্তা ও অনুভব করার যেটুকু ক্ষমতা প্রকৃতি আমাকে দিয়েছেন, এই বইটি তার পরিপুর্ণ প্রকাশ।”

 

প্রথমে পড়া যাক এই কবির কিছু কবিতা—

 

একই অঙ্গে

 

মা আমায় চিনিয়ে দেবে? কোন চুমুটা

শব্দ শুধু!

যে-মেয়েটা শরীর চেনায়, হয়-মা নয়-সে

পুত্রবধূ।

 

মনে আছে? সেই সেবারে পুজোর ছুটির

নদীর ধারে—

আমি আর সাঁওতালনী! শালবাগানের

অন্ধকারে,

 

বুকে পিঠে গুঁড়িয়েছিলাম শুকনো পাতার

ভঙ্গুরতা!

সস্নেহে হিংসে করে বললে তুমি

অসভ্যতা!

 

মা জানো, সেই চুমুটাই তোমার মতো

আসল ছিল!

 

মেয়েটা-না, তোমার মতোই জড়িয়ে ধরে

কী হাসছিল!

 

 

আত্মহত্যাকলা

 

ঘুমের বড়ি, ট্রেনের নীচে গলা

গলায় দড়ি, গাড়ির নীচে চিত

এদের চেয়েও আত্মহত্যাকলা

সফল করার গুপ্ত ও নিশ্চিত

 

উপায় হলো শব্দ নিয়ে ভাবা।

জলের অনেক নীচের জলকে চিনে

বর্ণগন্ধহীনের মূর্তি গড়া

আত্মঘাতী আত্মনিমজ্জনে।

 

প্রশ্ন উঠবে, আত্মহত্যা করার

পথটা ভালোই। কিন্তু অন্যগুলো…

গলায় দড়ি, ট্রেনের নীচে গলা

ঘুমের বড়ি… কী দোষ করেছিল?

 

কারণ হলো, মরতে তো ভয় নেই

না-বাঁচতে খুব খারাপ লাগে! তাই

ক্রমান্বয়ে আত্মহত্যা করি

ক্রমান্বয়ে নতুন জীবন পাই।

 

সাপের শব্দ

 

হঠাৎ তাসের অগ্রালিকার একটা দেওয়াল নড়ে

শব্দ এলে, মাথার ভিতর তাস ছড়িয়ে পড়ে…

 

…যেমন একটি পরিতান্ত বাড়ীর উঠোনভরা

দুবেবাঘাসের ভিতর মগ্ন স্বেচ্ছাচারী ছাগল

মুখভরা ঘাস হঠাৎ ঘাসের অন্তরালে শোনে

সাপের খোসার অগ্রগমন। আতঙ্কে কান খাড়া,

…আনমনা দাঁত। দাঁতের মুঠোর ঘাস ছড়িয়ে পড়ে,

শব্দ আসছে। মাথার ভিতর তাস ছড়িয়ে পড়ে।

শোবো

 

লোহার বাক্সে ঢুকছি, শোবো

যে করে হোক শোবো।

পা গুটিয়ে রাখব। চিবুক

গিঁথিয়ে নেব বুকে…

 

জ্বর

 

জ্বর কি কখনো আসে? জুর থাকে। জুর ফিন্‌কি দেয়।

যেমন সাপের জিভ চিকণ চিবুক থেকে ঘাসের ভিতরে!

মানুষ কিছুটা জর সমস্ত জীবন ধরে বয়ে নিয়ে চলে

এবং সমস্ত জবর কিছুটা জীবন ধরে উপভোগ করে!

 

খনিজ শরীরে তার উত্তাপের প্রাণ আসে, কেউ তাকে ছুঁলে

সজীব দংশন করে। প্রতিটি ইলেকট্রন তপ্ত প্রাণ পায়,

জরাক্রান্ত মানুষের হৃৎপিন্ড প্রতি রোমে ভাগ হয়ে যায়

 

তাপমাননিরপেক্ষ, তর্কাতীত, এ পবিত্র জ্বর

সমস্ত জীবন থাকে। কিছুটা জীবন তার সাধুসঙ্গ পায়!

 

 

স্বপনবরণের কবিতায় এক আশ্চর্য জগৎ আছে। এই জগৎটা আবিষ্কার করতে সময় লাগে। মেধা ও মনন তাঁর কবিতার প্রাণবিন্দু। কিন্তু যে প্রাণের সন্ধান কবিতার রক্তমাংসে স্থূল হবে তার হদিশ দেবার জন্য একাধিক রেখা টেনেছেন। যা ওই প্রাণবিন্দু থেকেই আলোকরশ্মির মতো আগত।

 

সম্ভবত ‘একই অঙ্গে’ এই কবিতাটির মাধ্যমে স্বপনবরণের কবিতার সঙ্গে আমার পরিচয়। কবিতাটি প্রথম পাঠেই এত আকর্ষণ করে… এত সহজভাবে কী মারাত্মক কবিতা তিনি লিখেছেন ভাবা যায় না! তীব্র শ্লেষ যখন প্রেমকে ছাড়িয়ে কোথাও তখন মায়ের আঁচল আর প্রেমিকার কপালের টিপ জ্বল জ্বল করে তখন চুমুর স্নিগ্ধতা আরও জড়িয়ে ধরে। এমনই যেন জীবনের তাস… আত্মহত্যাকলা শিখে নিলেও আত্মহত্যা করা যায় না। জলের অনেক নীচের জলকে চিনে নেওয়ার জন্য গলায় দড়ি বা গাড়ির তলায় চিত হওয়ার দরকার পড়ে না। ঘাসের অন্তরালে সাপের ফিসফিস ধ্বনির মতো শব্দ জেগে ওঠে বুকে। কবি ঘুমোতে চান। লোহার বাক্সে পা গুটিয়ে, বুকে চিবুক গিঁথিয়ে শুতে চান… কিন্তু কীভাবে ঘুমোবেন? জ্বর যখন ফিনকি জীবনের সমস্তটা উপভোগ করতে চান তখন খনিজ শরীরে উত্তাপ আসে… জল দিয়ে তিনি জল মুছতে চাননি… বরং জলের সঞ্চয়ে একটা জাহাজ কিনে তিনি নিজেই পাড়ি দিয়েছেন বৃহৎ কোনো সমুদ্রে…

 

সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা কি কোনো সাধনার? সম্পর্কের ভিতর এত দড়ি, পাক বাঁধতে বাঁধতে অনেকসময় যেভাবে জটলা হয়ে যায়, তাতে সমস্ত সরলরেখা একসময় বক্র হয়ে যায়। কিন্তু কবি এই সম্পর্কের মধ্যে যে লাইন এঁকেছেন তা চিরকাল সোজা অর্থ্যাৎ দুটো মানুষের মধ্যে কোনো লাইন-ই থাকে না। দুটো মানুষের মধ্যে সব নিয়ম অতি নিরাপদ। দুটো মানুষের মধ্যে পথের বাঁক নিলে জানতে হবে একটি মানুষ অন্যদিকে পা ফেলেছে। এই জীবনদর্শন কেবলই একজন কবির।

 

 

একজন মানুষের

 

দুইজন মানুষের মধ্যে থেকে, লাইন বাঁকে না

প্রথমজনের পরে দ্বিতীয়জনের পরে পরপর মানুষ দাঁড়ালে

লাইন তৈরি হয়। সে লাইন জীবনে কখনো

দু’জনের মধ্যে থেকে বেঁকে যায় না অন্য অভিমুখে।

দুটো মানুষের মধ্যে থেকে কোন লাইন বাঁকে না!

 

দুটো মানুষের মধ্যে সব লাইন চিরকাল সোজা

দুটো মানুষের মধ্যে সব নিয়ম অতি নিরাপদ:

দুটো মানুষের মধ্যে মানুষ থাকে না বলে লাইন বাঁকে না!

 

লাইন যখনই বাঁকে বুঝতে হবে একটা মানুষ

লাইন যেখানে বাঁকে বুঝতে হবে একটা মানুষ

অন্যদিকে তাকিয়েছে, পা বাড়ালো অন্য অভিমুখে…

দু’জনের মধ্যে থেকে নয়, সব মানুষের সমস্ত লাইন

একজনই মানুষের মধ্যে থেকে বাক নেয়… অন্য কোনো দিকে!

 

মানুষের মধ্যে থেকে একজনই বাক নেয় অন্য অভিমুখে…

 

 

কবিতার টান এক অদ্ভুত টান। জীবন, জীবিকা, আহার— এসব অন্বেষণের পথ, কবি নিজেই হারিয়ে ফেলতে চান। অথবা হারিয়ে ফেলেন। বুকের ভিতর জাগিয়ে রাখেন নদী। যেন নেকড়ের পানীয়। একটা বর্ষাকাল। উচপে ওঠা নদীতে তিনি শিখতে চান জলজ কৌশল। কীভাবে শিখবেন? তিনি স্মৃতিচারণরত… হাজার বছর ধরে যে বৃষ্টি পড়ছে ভারতবর্ষে, সেখান কী সান্নিধ্য চান তিনি? এই সমাজ কি সত্যিই তিনি চান? উঁচু ছাতা আর নীচু মাথার মধ্যে আমাদের সমাজ গলে যায়… চুঁইয়ে পড়ে তার বদ রক্ত… সেখানে আমরাই পা পিছলে পড়ে যাই…

 

পানীয়

 

নেকড়ের পানীয় জল যে পুকুরে থাকে তার পাড়ে

কয়েকটি অদম্য ঘাস হরিণ-করোটি গহুরে

নিশ্চিন্তে বৃদ্ধি পায়। হাওয়া, বৃষ্টিজল পায়। আলো

চোখের কোটরপথে ঘাসগুলি স্পর্শ করেছিল।

তোমার মাথার মধ্যে যদি সেই ঘাস বেড়ে ওঠে

যদি দু’টো ঘাসফুল দু’চোখের মণিমধ্যে ফোটে…

 

বুকের ভিতর ছলছল করবে নেকড়ের পানীয়।

 

স্মৃতিচারণরত 

 

আমরা     তথাপি অক্ষত

আমরা    স্মৃতিচারণরত

আমরা    ফুলে পাতায় নশ্বরতা, মূলত শাশ্বত!

আমরা    স্মৃতিচারণরত।

এখন     কেন্দ্রবিন্দু ক্ষয়িষ্ণু, তাই পরিধি বিস্তৃত।

এখন     স্মৃতিচারণরত!

 

প্রাচীন    কুয়োর নীচে জল

ডুবতে    ডুবতে নেমে চল

বৃদ্ধ       হাওয়ার মুখে ভলিরেখার সরনী চঞ্চল।

জলে     পায়ের পাতা রাখি

জলে     দন্ডায়মান থাকি

পায়ের   ভিতর দিয়ে চুঁইয়ে ওঠে জলজ কৌশল

মাথায়    স্মৃতিচারণরত

এখন    পরিধি শাশ্বত

এখন    কেন্দ্রবিন্দু ক্ষয়িষ্ণু, তাই

          স্মৃতিচারণরত…

 

বর্ষাকালে

 

আপনি একটু উঁচু করলেন ছাতাটা,

আমি একটু নীচু করলাম মাথাটা ।

 

সমাজ!

একেই সমাজ বলে

বর্ষাকালে!

 

ওমনি একটু আবীর

মেঘে ছড়িয়ে গেল।

দ্রাবিড় রঙের মেঘে

আমার দ্রাবিড় রঙের ত্বকে

তোমার আর্যমুখর ঝলক

আগুন ধরিয়ে গেল!

বৃষ্টি এলে,

পরস্পরকে বিরুদ্ধবেগ পেরিয়ে গেলেই, সমাজ!

তাকে সমাজ বলে!

আড়াই হাজার বছর ধরে বৃষ্টি পড়ছে ভারতবর্ষে,

আড়াই হাজার বছর ধরে

 

আর্যরঙ ও দ্রাবিড় মেঘে হঠাৎ তীব সন্নিকর্ষে

প্রেম ছড়াচ্ছে! বর্ষাকালে

সমাজ!

একেই সমাজ বলে!

 

‘পঞ্চাশ পেরিয়ে’-এর মুখবন্ধে কবি বলেছেন—

“পেশার স্থিরতা নেই, আয়ের নিশ্চয়তা নেই, পরিবারের কারো প্রতি কর্তব্য করতে পারি না, অথচ বাড়ি আমাকে অনন্ত প্রশয় ও সুযোগ দিয়ে যাচ্ছে। বাড়ি ছাড়া, এই সময় আমাকে বাঁচিয়ে দিয়েছে তিনটে অবলম্বন। লালমাটি আর জঙ্গলের দেশ, উইওলিয়ম শেক্সপিয়র আর ইংরেজি ভাষা। প্রথমটা মনের, দ্বিতীয়টা মগজের আর তৃতীয়টা পেটের।”  শেক্সপিয়র যে তাঁর মগজের অস্ত্র তা নিজেই বলেছেন। শেক্সপিয়রের নাটকের পাশাপাশি তিনি অনুবাদ করেছেন সনেট। এই সনেট পড়ে বোঝা যায়, কেন তিনি এ কথা বলেছেন…

 

সনেট ২৭

 

দিন ক্লান্ত করে। ক্লান্তি বিশ্রামে সজীব হতে চেয়ে,

দ্রুত শয্যা খুঁজে নেয়; ঘুমে ডোবে নৌকার শরীর;

কাঠ স্থির হয়ে আছে; মন ছুটছে মন ছুঁইয়ে ছুঁয়ে

আপাত অস্থির শান্ত হয়, বইছে আপাত সুস্থির।

মনের সে তীর্থযাত্রা। গন্তব্য তুমি, চিন্তা তুমি,

হে বন্ধু; শরীর নেই, অনর্গল দু’চোখে তাকিয়ে

দেখি অন্ধকার, অন্ধকার দেখা। তীর্থভূমি,

অসীম, নিশ্চুপ, স্থির। সহসা সে আকাশ ঝাঁকিয়ে

একটি জ্যোতিষ্ক জাগে। আঁধারের রূপ খুলে যায়,

ঘুমের শরীর ভেঙে জেগে ওঠে মনের জীবন;

হে বন্ধু একটি তারা তোমার রূপের ছোঁওয়া পায়,

ভয়াল রাত্রির মুখে সুন্দরের শান্ত হাসি চোঁয়ায় যখন।

                     অশান্ত দিনের দেহ; রাত্রি কাঁপে তীব্র মনে মনে

                     ঘুমে ডুবে আছে নৌকা। চিন্তা, চেতনায় দাঁড় টানে।     

 

অনেকেই মনে করেন— কবি স্বপ্ননবরণের চিন্তা জগতের প্রবেশদ্বার খুব ঘোরালো। কোন পথ দিয়ে ঢুকবেন তা অনুধাবন করার আগে পথ নিজেই ঘুরে যায়। আমার সামান্য পাঠে কবি স্বপ্ননবরণকে মনে হয়েছে, একটা উন্মুক্ত আকাশ। এখানে আলাদা করে কিচ্ছু সাজানো নেই। সবটাই প্রকৃতস্থ। জোছনার জন্য আমাদেরকে আলাদা করে ছুটে যেতে হয় না। আমাদের মাথার উপর তার আভা নিজের মতো করেই আমাদের ঋণী করে তোলে।

কবি স্বপনবরণ আচার্য

ponchash periye

আরও পড়ুন...